শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক

দীর্ঘ বিরতির পর দেশে আবারও শুরু হচ্ছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। আগামী ২৮ জুন দেশব্যাপী একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

- Advertisement -

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, এবারের ক্যাম্পেইনে মোট ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৪ জন শিশুকে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ৫ লাখ ৭৬ হাজার ১৭৮ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনূস আলী জানান, কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্র ও ৫০০টি মোবাইল কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের অধিকাংশ ইতোমধ্যে হাতে পৌঁছেছে এবং বাকি সরবরাহও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, নির্ধারিত দিনে নিকটস্থ কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে হবে।

এদিকে, রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন পুনরায় চালু করা হয়েছে। তিনি কর্মসূচি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ১৯ কোটি প্রাক-বিদ্যালয় বয়সী শিশু ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতির ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ঘাটতির কারণে শিশুদের দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হওয়া, রাতকানা রোগ এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অন্ধত্বের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

উল্লেখ্য, শিশুদের পুষ্টিহীনতা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধে বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কর্মসূচি চালু হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন পর্যায়ে সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে এটি বর্তমানে জাতীয় পুষ্টি কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও