চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া নয়াহাট গ্যাসপাম্পের সামনে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঈগল পরিবহন ও সৌদিয়া পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঈগল বাসের চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন যাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের পর দুটি বাস দুমড়ে-মুচড়ে মহাসড়কের মাঝখানে আটকে যায়। এতে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
নিহত ব্যক্তি হলেন কক্সবাজার জেলার চকরিয়া বানিয়ারছড়া গ্রামের নুরুল হোসেনের ছেলে মো. আরাফাত (ঈগল পরিবহনের চালক)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের একজন কর্মকর্তা। তিনি জানান, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় আরাফাতকে চমেক হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহতদের পরিচয়
পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আহতদের মধ্যে রয়েছেন—
- সাতকানিয়ার নাইম উদ্দিন (২২)
- লোহাগড়ার আলিফ (২২)
- রাঙ্গুনিয়ার সৌরভ (২৪)
- পটিয়ার জিরির মোহাম্মদ নগরের মানিক (২৩)
- লোহাগাড়ার প্রফেসর আহমদ কবির (৪৮)
- লোহাগাড়ার আসিফ (৩০)
- রাঙ্গুনিয়ার ইসফাকুল ইসলাম (২৪)
- পটিয়ার ফকিরপাড়ার নাছির উদ্দিন (৪৫)
- বোয়ালখালীর আলী হায়দার (২৬)
- সাতকানিয়ার ইসমাইল (২৯)
- ডুলহাজারা মালুমঘাটের জালাল উদ্দীন (২৫)
- চকরিয়ার হারবাং এলাকার নুর বানু (১৮)
- পটিয়ার উত্তর দেওয়াং এলাকার মানিক (২৩)
প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা
প্রত্যক্ষদর্শী সাইফুল ইসলাম রানা বলেন, “দুই বাসের তীব্র সংঘর্ষে অন্তত ৪০ থেকে ৪৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

