বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, তিনি দ্রুতই দেশে ফিরে আসবেন এবং সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেবেন। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর মুখোমুখি সাক্ষাৎকারে তিনি বিবিসি বাংলার সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দলের কৌশল এবং নির্বাচনী কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, “আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকব। যেখানে জনগণের প্রত্যাশিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, আমি নিজেকে দূরে রাখতে পারব না। ইনশাআল্লাহ মাঠেই থাকব।”
তারেক রহমানের ভাষ্য, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া তার নৈতিক দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে বা চলাকালীন সময়ে জনগণের সঙ্গে দূরে থাকা তার স্বাভাবিক চরিত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি জানান, বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে সমন্বয় রেখে দলের কৌশল বাস্তবায়নে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করবেন।
নিরাপত্তার শঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “বিভিন্ন সময় বিভিন্ন শঙ্কার কথা শোনা গেছে। তবে নির্বাচনের সময় যদি জনগণের প্রত্যাশিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়, তাহলে নিজেকে দূরে রাখার কোনো কারণ নেই।”
বিবিসি বাংলার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানান, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে তার ব্যক্তিগত নয়; এটি বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা এবং তাদের অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করবে।
তারেক রহমান বলেন, “অবশ্যই নিব, ইনশাআল্লাহ। জনগণ চাইলে আমি মাঠে থাকব। নির্বাচনের সময় জনগণের পাশে থাকাটাই আমার মূল লক্ষ্য।”
তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তাশীল। সাক্ষাৎকারে তিনি সরকারের রাজনীতি, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং দলের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
রাজনীতিবিদদের মতে, তারেক রহমানের এই ঘোষণা নির্বাচনী মহড়ায় নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করবে। বিএনপির নেতা কর্মীরা ইতিমধ্যেই তার প্রত্যাবর্তনকে দলের আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বড় প্রেরণা হিসেবে দেখছেন।

