রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খালেদা জিয়ার দর্শনই আগামীর পথচলার প্রেরণা: মির্জা ফখরুল

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-কে বাংলাদেশের রাজনীতিতে দেশপ্রেম ও সাহসিকতার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

- Advertisement -

তিনি বলেন, দীর্ঘ ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রশ্নে কখনোই কারও সঙ্গে আপস করেননি।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদ-এ শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি খালেদা জিয়ার শাসনামলে গৃহীত বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন।

বক্তব্যের শুরুতে মির্জা ফখরুল ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী তরুণদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য তরুণরা আত্মত্যাগ করেছে এবং তাদের সেই ত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।

খালেদা জিয়ার শাসনামলের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, নারীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ও নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি তার হাত ধরেই গড়ে ওঠে। প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, উন্মুক্ত ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং বেসরকারি খাতে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অনুমতি ছিল তার দূরদর্শী সিদ্ধান্ত।

কৃষি ও অর্থনীতিতে অবদানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষকদের পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মকুফ এবং ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করে গ্রামবাংলার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছিলেন খালেদা জিয়া। তার হাত ধরেই দেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি ও স্বনির্ভর অর্থনীতির যাত্রা শুরু হয়।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, কারামুক্ত হওয়ার পরও খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার পরিবর্তে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আসুন আমরা ভালোবাসার বাংলাদেশ গড়ে তুলি।” বিএনপি মহাসচিবের ভাষায়, এই দর্শনই আগামী দিনের পথচলায় প্রেরণা হয়ে থাকবে।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও