বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘খালেদা জিয়ার দেওয়া মন্ত্রিত্বের ঋণও ভুলে গেছে জামায়াত’: শাহে আলম

স্টাফ রিপোর্টার

জামায়াত দল হিসেবে অকৃতজ্ঞ বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, ২০০১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রী করেছিলেন। কিন্তু জামায়াত এখন সেসব কথা ভুলে গেছে।

- Advertisement -

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মীর শাহে আলম বলেন, ২০০১ সালে জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রী করার মাধ্যমে তাদের ‘রাজাকারের তকমা’ দূর করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু এখন তারা অতীতের সেই বিষয়গুলো ভুলে গেছে।

সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের আন্দোলনের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ সরকার জনগণের সরকার এবং দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত। অথচ ছয় মাস না যেতেই লংমার্চ করে সরকার পতনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে তিনি দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে।

মীর শাহে আলম আরও বলেন, স্থানীয় ও উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি একক প্রার্থীকে সমর্থন দেবে। যারা এর বিরোধিতা করবেন বা বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন, তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এনসিপি ও জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পুরোনো সম্পর্ক রয়েছে দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে। পুরোনো সম্পর্ক আবারও জোড়া লাগতে পারে। তার ভাষ্য, দেশে তাদের বর্তমান আন্দোলন আওয়ামী লীগকে সহায়তা করার শামিল।

১১ দলীয় জোটের নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা সংসদের ভেতরে এক ধরনের কথা বলেন, আবার বাইরে অন্য কথা বলেন। এনসিপির নেতাদের বয়স কম হলেও তারা রাজনৈতিকভাবে সম্মানজনক ভাষা ব্যবহার করছেন না এবং তারেক রহমানকে নিয়ে ‘বিশ্রী ভাষায়’ কথা বলছেন।

বিএনপি কারও হুমকিকে পরোয়া করে না মন্তব্য করে মীর শাহে আলম বলেন, গত নির্বাচনে যারা বিএনপির সঙ্গে বেইমানি করেছে, দলে তাদের আর ঠাঁই হবে না।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দুঃসময়ে যারা দলের জন্য কাজ করেছেন, তারা ঠিকাদারিসহ বৈধ সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত জুলাইয়ের বন্যায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়া উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাঁশখালীতে প্রায় ১২ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বৃহস্পতিবার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৫১০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।

সর্বশেষ

জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয়ে জোর

তেলের দাম বাড়তেই বাড়ল বাসভাড়া

এই বিভাগের আরও