অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহম্মদ ইউনূস বলেছেন, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় প্রবেশ করছে। অদূর ভবিষ্যতে আরও বেশিসংখ্যক চীনা বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে এবং স্থানীয় অংশীদারদের সমন্বয়ে এ অঞ্চলে একটি বড় বাজার সৃষ্টিতে উৎসাহী হবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
চীনকে ঘনিষ্ঠ মিত্র উল্লেখ করে মুহম্মদ ইউনূস বলেন, গত কয়েক বছরে আমাদের সম্পর্ক বেশ দৃঢ় হয়েছে, বাণিজ্য শক্তিশালী হয়েছে এবং চীনের সঙ্গে সহযোগিতার ফলে আমরা লাভবান হয়েছি। চীনের অর্জন দেখে বাংলাদেশের সবাই অনুপ্রেরণা পায়।
এ সময় চীনের দারিদ্র্য দূরীকরণ কর্মসূচিরও প্রশংসা করে বলেন, উন্নয়ন বলতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ জিডিপি বা প্রবৃদ্ধির ঊর্ধ্বরেখাকে বোঝায়, কিন্তু চীন এক্ষেত্রে মনোযোগ দিয়েছে নিম্ন আয়ের লোকজনের জীবনমান উন্নয়নের দিকে। এ কারণেই চীন অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এবং ব্যাপক সাফল্যের সঙ্গে দারিদ্র্য হ্রাসে সক্ষম হয়েছে।
চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে চীনে অবস্থান করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ইতোমধ্যে সেখানে বৈঠকসহ বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন তিনি।
ফলস্বরূপ চীনা সরকার ও কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ।
সফর শেষে আগামী ২৯ মার্চ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

