দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা কমছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৭১৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে- বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১৪ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৪ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩২ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন ভর্তি হয়েছেন।
অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৬৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৪৮ হাজার ৬৬৭ জন রোগী চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন।
২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ৫১ হাজার ৪৯৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ নারী।
এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ২১৭ জন।
২০২৪ সালে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন মোট এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন, মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের।
২০২৩ সালে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ছিল আরও বেশি। ওই বছর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছিলেন এক হাজার ৭০৫ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়া পরিবর্তন ও নগরীর অপরিকল্পিত পরিবেশে মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে না আসায় প্রতি বছরই ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে।

