গণভোট বাস্তবায়নের উপায় ও তার সময় নির্ধারণ করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর আসিফ নজরুল বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ তীব্রতম পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রধান উপদেষ্টা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটি দেশের জন্য চূড়ান্ত এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তা অনুসরণ করবে।
আইন উপদেষ্টা বলেন, “দীর্ঘ আলোচনা ও ২৭০ দিনের আলাপচাপের পরেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়নি। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের সময় নিয়ে মতবিরোধ এখন আরও জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে।”
তিনি আরও জানান, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আলোচিত হয়েছে—জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দুটি বিকল্প দিয়েছে। এক, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পর গণভোট, যদি ২৭০ দিনের মধ্যে না হয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধান সংশোধিত হবে। দুই, নির্বাচিত সংসদের হাতে দায়িত্ব দেওয়া। কোন বিকল্প গ্রহণযোগ্য তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ রয়েছে।
আসিফ নজরুল বলেন, “এই বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান উপদেষ্টা। আমরা উনাকে সহায়তা করব। এটি কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো ব্যক্তি এককভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন না। সিদ্ধান্ত দ্রুত ও দৃঢ় হবে।”
আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল এককভাবে আল্টিমেটাম দিচ্ছে, যা জাতীয় ঐকমত্যের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সরকারের স্বাধীনতা রয়েছে, তবে প্রধান উপদেষ্টাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

