আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে। ভোর থেকেই গাবতলী ও কল্যাণপুর কেন্দ্রিক বাস কোম্পানিগুলো কাউন্টারে টিকিট বিক্রি শুরু করবে। একই দিন থেকে রেলের অগ্রিম টিকিটও পাওয়া যাবে, তবে রেলের টিকিট শতভাগ অনলাইনে বিক্রি হবে।
বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন গত শনিবার সভা করে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) থেকে ঈদের অগ্রিম টিকিট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ জানান, সকাল থেকে বাস কাউন্টার ও অনলাইন অ্যাপ—দুই মাধ্যমেই টিকিট বিক্রি শুরু হবে। ১২ মার্চ থেকে ‘ঈদের ভাড়া’ কার্যকর করবে বাস কোম্পানিগুলো।
তিনি বলেন, প্রতিটি বাস কাউন্টারে বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট টাঙানো থাকবে এবং নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই। অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও একই ভাড়া কার্যকর থাকবে।
তবে নন-এসি বাসের ভাড়া বিআরটিএ নির্ধারণ করলেও এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণ করে না। ফলে প্রতি ঈদেই এসি, স্লিপার বা সুইট ক্লাস বাসের ভাড়া দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার নজির রয়েছে।
রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে মঙ্গলবার সকাল থেকে। এদিন পাওয়া যাবে ১৩ মার্চের টিকিট। ৪ মার্চ মিলবে ১৪ মার্চের, ৫ মার্চ ১৫ মার্চের, ৬ মার্চ ১৬ মার্চের, ৭ মার্চ ১৭ মার্চের, ৮ মার্চ ১৮ মার্চের এবং ৯ মার্চ পাওয়া যাবে ১৯ মার্চের টিকিট।
গতবারের মতো এবারও ঈদযাত্রার রেল টিকিট শতভাগ অনলাইনে বিক্রি হবে। অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে পশ্চিমাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের টিকিট দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সোমবার গণি রোডের রেলভবনে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভা করেছেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী জানিয়েছেন, সভায় নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০ অথবা ২১ মার্চ ঈদ হতে পারে। সরকারি অফিসে ছুটি শুরু হবে ১৯ মার্চ থেকে। সে হিসেবে ১৮ মার্চ বিকেলের টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

