যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে। বুধবার রাজধানী তেহরানসহ পবিত্র শহর কোম, ইসফাহান এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন নিরাপত্তা স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে।
জবাবে ইরান পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছে।
ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হামলায় আবাসিক ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে ইসরাইল দাবি করেছে, তারা ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর আধাসামরিক বাহিনী ‘বাসিজ’ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কমান্ডের কার্যালয়গুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া অভিযানে এখন পর্যন্ত ১,০৪৫ জন নিহত হয়েছেন বলে ইরানি গণমাধ্যমের দাবি। আল জাজিরা-র তেহরান প্রতিনিধি মোহাম্মদ ভাল জানিয়েছেন, পুরো দেশ এখন বহুমুখী হামলার মুখে। অন্তত ৩০০ শিশু ও কিশোর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে এবং আহতের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভি এবং আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট তাসনিম জানিয়েছে, দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের লক্ষ্যবস্তুতে ১৯তম দফার হামলা শুরু করেছে।
আইআরজিসি’র বরাত দিয়ে তাসনিম জানায়, সর্বশেষ হামলায় ইসরাইল এবং অঞ্চলে অবস্থিত ‘আমেরিকান সন্ত্রাসী ঘাঁটি’ লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। এই সামরিক অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ট্রু প্রমিজ-৪’।
পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটছে বলে পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

