ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে।
নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে দুই আসনেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সময় শেরপুর-৩ আসনের এক বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ওই আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছিল। পরে নতুন তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন আয়োজন করা হয়।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) মো. আল-আমিন তালুকদার।
এই আসনে ১৫০টি ভোটকেন্দ্রের ৮৩৫টি ভোটকক্ষে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।
নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর ২৫০ সদস্য, বিজিবির ৮ প্লাটুন, র্যাবের ১০টি টিম, পুলিশের ১ হাজার ৩২৭ সদস্য এবং আনসার ভিডিপির ১ হাজার ৯৯০ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তারেক রহমান এই আসন থেকে নির্বাচিত হলেও একইসঙ্গে দুটি আসনের সদস্য থাকা সম্ভব না হওয়ায় তিনি ঢাকা-১৭ আসন রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ফলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে লড়ছেন বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম এবং বাসদ (মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান।
এই আসনে ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ৯ হাজার ৮০৬ জন ভোটার ভোট দিচ্ছেন।
নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর ১৪০ সদস্য, বিজিবির ১৬ প্লাটুন, র্যাবের ১৪টি টিম, পুলিশের ১ হাজার ১৫৫ সদস্য এবং আনসার ভিডিপির ১ হাজার ৭০৪ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
সামগ্রিকভাবে দুই আসনেই কঠোর নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নজরদারির মধ্যে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

