রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামে কমছে না নিত্যপণ্যের দাম, মাছ-সবজির বাজারে ক্রেতাদের হাঁসফাঁস

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের কাঁচাবাজারে কমছে না নিত্যপণ্যের দাম। সবজি, মাছ ও গরুর মাংসের উচ্চমূল্যে চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। কিছুটা কমেছে ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম, তবে সামগ্রিকভাবে বাজার পরিস্থিতিতে স্বস্তি নেই সীমিত আয়ের মানুষের।

- Advertisement -

শুক্রবার (২২ মে) নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে বেশিরভাগ সবজির দাম। টমেটো, গাজর, ফুলকপি, আলু ও লাউয়ের দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

বর্তমানে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা এবং ফুলকপি ১০০ টাকার নিচে মিলছে না। প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১০০ টাকায়। নিম্ন আয়ের মানুষের ভরসার আলুর দামও কেজিতে বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা।

তবে কয়েকটি সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। লম্বা বেগুনের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে এখন ১০০ টাকা এবং মুলা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ও পটল ৮০ টাকা এবং পেঁপে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজির বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন ক্রেতারা। ব্রয়লার মুরগি এখন কেজিতে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে পাকিস্তানি লেয়ার মুরগির দাম বেড়ে কেজিতে ৪০০ টাকায় পৌঁছেছে।

মাছের বাজারেও আগুন। বাজারভেদে পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩‍০ টাকা, রুই ২৪০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা এবং কই মাছ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ইলিশের বাজারেও উচ্চমূল্য বজায় রয়েছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা। ছোট জাটকা সাইজের ইলিশও বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৮০০ টাকায়।

বাজারে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা, হাঁসের ডিম ২০০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, অনেক সবজির মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় সরবরাহ কমে গেছে। ফলে পাইকারি বাজারে দাম বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারেও।

অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও মানুষের আয় সে হারে বাড়ছে না। ফলে সংসারের ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও