মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

জামায়াতের সমাবেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ২

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক:

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত দুই সাংবাদিক আহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

- Advertisement -

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর ধানমন্ডি জোনের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শেষে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় আহত হন দৈনিক সকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহফুজুর রহমান শিশির এবং দ্য নিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মারুফ হোসেন। এছাড়া অন্তত ১০ জন সাংবাদিক বিভিন্নভাবে হেনস্তার শিকার হন।

প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের ভাষ্য, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কলাবাগান থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে সোবহানবাগ এলাকা ঘুরে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশ চলাকালে সাংবাদিকরা দায়িত্বশীল নেতাদের বক্তব্য নেওয়ার অনুরোধ করলে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশির অভিযোগ করেন, তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদ করলে তাকে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ আখ্যা দিয়ে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়।

পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় পাঠানো হয়েছে। তার নাক ও ঠোঁটে আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।

দ্য নিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মারুফ হোসেন বলেন, শিশিরকে রক্ষা করতে গিয়ে তিনিও হামলার শিকার হন। তার অভিযোগ, জামায়াতের নেতাকর্মীরা দুই দফায় সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন এবং একপর্যায়ে শিশিরকে তুলে নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করেন।

অন্যদিকে, সাংবাদিকদের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি।

তবে এ বিষয়ে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “এ বিষয়ে আমরা অবগত নই।”

এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ধানমন্ডি থানা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মুজিবুর রহমান খান ঘটনাটিকে “অনাকাঙ্ক্ষিত” বলে উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বহিরাগত কেউ ঢুকে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও