মুদি দোকান, বিউটি পার্লার, রেস্তোরাঁসহ ১৬ ধরনের ব্যবসায়িক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিষয়টি উত্থাপিত হয়।
নতুন প্রতিষ্ঠান বা খাতকে ভ্যাটের আওতায় আনার কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “জি, রয়েছে।”
তিনি জানান, নতুন অর্থবছরে যেসব ব্যবসায়িক খাতকে সুনির্দিষ্ট ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—মুদি দোকান, তৈরি পোশাক ও কাপড়ের দোকান, কনফেকশনারি, কসমেটিক্স, প্লাস্টিক ও সিরামিক গৃহস্থালী পণ্যের দোকান, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন ও ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট, স্যানিটারি ও ফিটিংস, টাইলস, ঢেউটিন, রড-সিমেন্ট, ফার্নিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এবং রেস্তোরাঁ।
অর্থমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ ভ্যাট আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে। তবে এই ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট হার এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
এ ছাড়া বাজেটে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতি হাজার টাকায় দুই টাকা উৎসে কর কেটে রাখার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

