চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল)-এর শ্রমিক-কর্মচারীরা বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন।
পে কমিশন ও মজুরি কমিশনের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণসহ একাধিক দাবিতে বুধবার (২০ আগস্ট) সকাল ৮টায় কারখানার প্রধান ফটকে গেইট মিটিং ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা।
দুই ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন কারখানার স্থায়ী ও অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
শ্রমিক নেতারা বলেন, পে-কমিশনভুক্ত কর্মচারীদের মতো মজুরি কমিশনের শ্রমিকদের ৫% প্রণোদনা ও ১৫% বিশেষ বকেয়া বাস্তবায়ন করতে হবে। ডিএপিএফসিএল কারখানা নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু রাখার স্বার্থে ফসফরিক এসিড সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ পে কমিশন ও মজুরি কমিশনের আওতাধীন সকল শ্রমিক-কর্মচারীর দ্রুত প্রমোশন প্রদান, পেনশনের আওতায় আনা এবং ঝুঁকি ও নৈশভাতা চালুর দাবিও জানানো হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মাস্টার অপারেটর ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মো. হারুনুর রশিদ।
শ্রমিক দলের কার্যকরী সভাপতি মেহেদী হাসান মাসুদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগ ও কেমিক্যাল ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুল আজিম সবুজ, অপারেটর রেজাউল করিম, সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো. মুসা, হাই স্কিল অপারেটর জাহিদুল আলম, ফিরোজ আলম, জহুরুল ইসলাম, স্কিল অপারেটর রেজাউর রহমান, নাজমুল আশরাফ রাফি, সজীব শেখ প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা কারখানার অভ্যন্তরে মিছিল করেন। পরে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে শিল্প উপদেষ্টা ও সচিব বরাবর একটি স্মারকলিপি ডিএপিএফসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে ডিএপিএফসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনুল হক বলেন, “কমিশনভিত্তিক বৈষম্য নিরসনসহ কয়েকটি দাবি নিয়ে শ্রমিকরা আজ আমাদের স্মারকলিপি দিয়েছেন। আমরা বিষয়টি বিসিআইসি কর্তৃপক্ষকে জানাবো।”

