বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশে কোনো ধরনের ধর্মীয়, ভাষাগত বা জাতিগত বিভাজনকে স্থান দিতে চাই না। তিনি বলেন, জরুরি সংস্কারের মাধ্যমে একটি সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে সকল নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে পটিয়ার ঐতিহ্যবাহী আল জামিয়াতুল আরাবিয়া ইসলামিয়া জিরি মাদরাসা পরিদর্শনকালে তিনি মাদরাসার শিক্ষক ও ছাত্রদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং আল্লামা শাহ মোহাম্মদ তৈয়বের কবর জিয়ারত করেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, “বিএনপি ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী, ইসলামবিদ্বেষী নয়। কেউ যদি বলে বিএনপি ইসলামবিদ্বেষী, সেটা নিঃসন্দেহে অপপ্রচার।”
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মের নাগরিক সবাই একত্রে বসবাস করে। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী সকলের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। সালাহউদ্দিন হুঁশিয়ারি দেন, রাজনৈতিক কারণে কোনো ব্যক্তি বা দল যেন দ্বীনকে ব্যবহার করতে না পারে, যেন বিভাজনের রাজনীতি না হয়।
বিএনপির ইতিহাস ও সংবিধানের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, “আমরা সংবিধানে আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে সংযোজন করেছি। ইসলামবিদ্বেষী শক্তির পতন ঘটেছে, তবে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে যাতে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষা করা যায়।”
সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেশের আলেম-ওলামা ও সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করার বার্তা দেন।
এ সময় বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মীর হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি ইদ্রিম মিয়া এবং জেলা নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

