ভোলা সদরের নিজ গ্রাম কোড়ালিয়ায় বাবা-মা ও স্ত্রীর কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।
সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন এই বর্ষীয়ান নেতা। মৃত্যুর পর ঢাকায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে হেলিকপ্টারে তার মরদেহ ভোলায় নেওয়া হলে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
ষাটের দশকের ছাত্ররাজনীতির অন্যতম উজ্জ্বল নেতা তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ডাকসুর ভিপি, ছাত্রলীগের সভাপতি এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘মুজিব বাহিনী’র অন্যতম আঞ্চলিক প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রণয়ন, জাতীয় রাজনীতি ও সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং শিল্প, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনীতির নানা উত্থান-পতনের সাক্ষী এই প্রবীণ নেতা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

