দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রথমে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ নিয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে। তবে তা দ্রুত সমাধান করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কারিআনা পাসধারীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের শিক্ষাকেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোকে সরকারের আওতায় এনে দেশের নিয়মকানুন অনুযায়ী যুগোপযোগী করার বিষয়ে কাজ চলছে। এছাড়া ইবতেদায়ী ও কওমি শিক্ষাসহ সব ধরনের শিক্ষাব্যবস্থাকে সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগর ও পূর্বাচলে নান্দনিকতা বৃদ্ধি এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নের একটি প্রকল্প ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এ ছাড়া কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলা এবং নোয়াখালীর ভাসানচরে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

