মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

শিশুর সুস্থ বিকাশে পুষ্টিকর সকালের নাস্তা জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্ক

শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সুষম খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প নেই। বিশেষ করে দিনের প্রথম খাবার বা সকালের নাস্তা শিশুর সারাদিনের কর্মক্ষমতা, মনোযোগ ও শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রতিদিন সকালে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

- Advertisement -

বিশেষজ্ঞদের মতে, সহজলভ্য কিছু পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত সকালের নাস্তায় রাখলে শিশুর বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

কাজুবাদামপ্রোটিন, ফাইবার, আয়রন ও ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ কাজুবাদাম শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক। এটি শরীরে শক্তি জোগানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াতে সাহায্য করে।

কলাদ্রুত শক্তি জোগানো ও সহজে হজমযোগ্য ফল হিসেবে কলা আদর্শ। সকালের নাস্তায় কলা বা কলার স্মুদি রাখলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে এবং শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।

আমলকির জ্যামপাউরুটির সঙ্গে আমলকির মোরব্বা দিয়ে তৈরি জ্যাম হতে পারে স্বাস্থ্যকর একটি বিকল্প। এতে থাকা ভিটামিন-সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়াম হজমশক্তি বাড়াতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে এবং চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক।

আপেলআপেলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সার্বিক শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

হালকা গরম পানিতিন বছরের বেশি বয়সী শিশুদের সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করানোর অভ্যাস শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখতে এবং সতেজ থাকতে সহায়তা করতে পারে।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, শুধু কয়েকটি নির্দিষ্ট খাবারের ওপর নির্ভর না করে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিনসমৃদ্ধ বিভিন্ন খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক খাদ্যাভ্যাসই একটি শিশুর সুস্থ, সবল ও প্রাণবন্ত বেড়ে ওঠার অন্যতম ভিত্তি।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও