শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হলে বাড়বে যোগাযোগ: রাষ্ট্রপতি

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক:

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, কর্মী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের ভিয়েতনাম ভ্রমণ সহজ করতে দেশটির ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

- Advertisement -

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে দুই দেশের ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হলে পারস্পরিক যোগাযোগ ও অংশীদারত্বের নতুন ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাক্ষাৎকালে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত দুই দেশের রাজধানীর মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন এবং উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভিয়েতনাম সফরের আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি এ আমন্ত্রণের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।

সাক্ষাৎকালে ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে ভিয়েতনাম সফরের স্মৃতিচারণা করেন রাষ্ট্রপতি। সে সময় পাওয়া উষ্ণ আতিথেয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি দুই দেশের জনগণের ঐতিহাসিক বন্ধন ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করার ওপরও গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ তৈরিতে ভিয়েতনামের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, বাইসাইকেল, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানি পণ্যের ভিয়েতনামে আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বকালীন বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে দেশে ফিরে যাওয়ার পরও দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে তার ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূতের সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন। পাশাপাশি ভিয়েতনামের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ভিয়েতনাম দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও